Monday, February 20, 2023

8>|| মহাশিবরাত্রি 2023 ||

  || মহাশিবরাত্রি 2023 ||

          <----আদ্যনাথ---->

মাঘ মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে শিবরাত্রি পালন করা হয়। এদিন ভক্তি মনে পুজো করলে বাবা ভোলেনাথের 

কৃপা লাভ হয়।

এই বছর ১৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার পড়েছে মহাশিবরাত্রির তিথি।

 ১৮ ফেব্রুয়ারি২০২৩-- সন্ধ্যা ৬/৫/৩০ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি ঘ ৩/৩৮/৩৪ পর্যন্ত থাকবে শিব চতুর্দশীর তিথি। 

শিব অর্থ জ্ঞান। তিনি আশুতোষ।

শিব শান্ত,সৌম্য,ধীর,স্থির, আবার প্রলয়,

ধংস, তান্ডব।

তন্ত্রের দেবতা, রুদ্র,প্রলয়,

"সত্যম শিবম সুন্দরম"।


সুন্দরম অর্থ অদ্বৈতম। শিব হচ্ছে অদ্বৈত অর্থাৎ পবিত্র,এই পবিত্রবোধই হলো সৌন্দর্য এবং সেই সৌন্দর্যই হল সত্য ও শিবময়। 'সত্যম-শিবম-সুন্দরম ' ।


শিবপূজায় শিবলিঙ্গ স্নানার্থে প্রধাণত গঙ্গাজল বা গঙ্গাজল মিশ্রিত জল ব্যবহার করা হয় । আর বেলপাতা দেওয়া হয় তিনটি পাতাযুক্ত একটি যৌগিক পত্রকে । তবে বিশেষ লক্ষ্যণীয়, শিবের পূজার বেলপাতার প্রতিটি যৌগিক পত্রের নিচে বৃন্ত বা বোঁটার কাছের একটু মোটা অংশ অবশ্যই ভেঙ্গে বাদ দিয়ে তবে সেই বেলপাতা অর্পণ করা উচিত। 


সব ব্রতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হল এই মহাশিবরাত্রি। ব্রতের আগের দিন ভক্তগণ নিরামিষ আহার করে।  ব্রতের দিন তারা উপবাসী থাকে। তারপর রাত্রিবেলা চার প্রহরে শিবলিঙ্গকে দুধ, দই, ঘৃত, মধু ও গঙ্গাজল দিয়ে স্নান করানো হয়। তারপর বেলপাতা, নীলকন্ঠ ফুল, ধুতুরা, আকন্দ, অপরাজিতা প্রভৃতি ফুল দিয়ে পূজা করা হয়। আর  ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ এই মহামন্ত্র জপ করা হয় । সেদিন রাত্রি জাগরণ করা হয় ও শিবের ব্রতকথা, মন্ত্র আরাধণা করা হয়। ভারতবর্ষের বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গ তথা সমস্ত শিবমন্দিরে এই পূজা চলে, তান্ত্রিকেরাও এইদিন সিদ্ধিলাভের জন্য বিশেষ সাধনা করে। 


শিবরাত্রি' কথাটা দুটি শব্দ থেকে এসেছে। 'শিব' ও 'রাত্রি', যার অর্থ শিবের জন্য রাত্রী। শিবরাত্রির সঙ্গে প্রচলিত আছে নানা কথা। পুরাণ মতে দেবী পার্বতীর সঙ্গে এদিন দেবাদিদেব মহাদেবের মিলন হয়। । আবার শোনা যায় এদিন থেকেই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করেছিলেন। 


শিবরাত্রির ব্রত পালন করার আগের দিন সংযম করতে হয়। এদিন সিদ্ধ চালের ভাত বা আমিষ খেতে নেই। আতপ চালের সিদ্ধ ভাত খাওয়ার নিয়ম এদিন। এছাড়া কেউ চাইলে ময়দার তৈরি খাবারও খেতে পারেন। তবে সন্দক লবণ দিয়েই রান্না করতে হয়। এদিন সাধারণ লবণ একদমই খেতে নেই। ব্রতের দিন উপোস করে নিষ্ঠা করে কিছু নিয়ম মানলে ভক্তের মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন দেবাদিদেব।   


যজ্ঞের মধ্যে যেমন অশ্বমেধ যজ্ঞ, তীর্থের মধ্যে যেমন গঙ্গা তেমনই পুরাণ অনুযায়ী ব্রতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হল শিব চতুর্দশীর ব্রত। তাই শিবরাত্রির ব্রত পালন করলে ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ- এই চতুর্বিধ ফল লাভ হয়। 

 

হিন্দু মহাপুরাণ তথা শিবমহাপুরাণ অনুসারে এইরাত্রেই শিব সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের মহা তান্ডব নৃত্য করেছিলেন । আবার এইরাত্রেই শিব ও পার্বতীর বিবাহ হয়েছিল । এর নিগুঢ় অর্থ হল শিব ও শক্তি তথা পুরুষ ও আদিশক্তি বা পরাপ্রকৃতির মিলন। এই মহাশিবরাত্রিতে শিব তার প্রতীক লিঙ্গ তথা শিবলিঙ্গ রূপে প্রকাশিত হয়ে জীবের পাপনাশ ও মুক্তির পথ দিয়েছিলেন।


মহাশিবরাত্রি ব্রতকথা::----

শিবমহাপুরাণ অনুসারে, অতি প্রাচীনকালে বারাণসী তথা কাশীধামে এক নিষ্ঠুর ব্যাধ বাস করত। সে প্রচুর জীবহত্যা করত। একদিন শিকারে বেরিয়ে তার খুব দেরি হওয়ার ফলে সে জঙ্গলে পথ হারিয়ে রাতে হিংস্র জন্তুর ভয়ে এক গাছের উপর আশ্রয় নেয় । কোনো শিকার না পেয়ে সে হতাশ হয়ে গাছ থেকে একটা করে পাতা ছিঁড়ে নিচে ফেলতে থাকে । সেই গাছটি ছিল বেলগাছ । আর সেই বেলগাছের নিচে একটি শিবলিঙ্গ ছিল। সেদিন ছিল শিবচতুর্দশী অর্থাৎ মহাশিবরাত্রি। আর ব্যাধও ছিল উপবাসী। তার ফেলা বেলপাতাগুলো শিবলিঙ্গের মাথায় পড়ে এর ফলে তার শিবচতুর্দশী ব্রতের ফল লাভ হয় তার অজান্তেই। পরদিন ব্যাধ বাড়ী ফিরে এলে তার খাবার সে এক অতিথিকে দিয়ে দেয়। এতে তার ব্রতের পারণ ফল লাভ হয়।


এর কিছুদিন পরে সেই ব্যাধ মারা গেলে যমদূতরা তাকে নিতে আসে। কিন্তু শিবচতুর্দশী ব্রতের ফল লাভ হেতু শিবদূতরা এসে যুদ্ধ করে যমদূতদের হারিয়ে ব্যাধকে নিয়ে যায়। যমরাজ তখন শিকার করেন যে শিবচতুর্দশী ব্রত পালন করে এবং শিব ভক্ত যেই জন, তার উপর যমের কোনো অধিকার থাকেনা। সে মুক্তিলাভ করে। এইভাবে মর্ত্যলোকে শিবচতুর্দশী ব্রতের প্রচার ঘটে।


জ্যোতির্লিঙ্গ পূজা::--

মহাশিবরাত্রি অনুষ্ঠানে ভারতবর্ষের বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গ তথা সোমনাথ, মল্লিকার্জুন, মহাকালেশ্বর, ওঁকারেশ্বর, কেদারনাথ, ভীমশঙ্কর, বিশ্বেশ্বর, ত্র্যয়ম্বকেশ্বর, বৈদ্যনাথ, নাগেশ্বর, রামেশ্বর ও ঘুশ্মেশ্বর এ বহু মানুষের সমাগম হয় ও সবার হাতে এই জ্যোতির্লিঙ্গের পূজা ও পবিত্র স্পর্শলাভ ঘটে।



মহাশিবরাত্রির পূজার বিধি চার প্রহর::


মহাশিবরাত্রির চার প্রহরের পুজোর সময় বা নির্ঘণ্ট, 


1--->প্রথম প্রহর পুজোর সময় --- 

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, সন্ধে ০৬.৪১ থেকে রাত ০৯.৪৭ পর্যন্ত ৷


2---> দ্বিতীয় প্রহরের পুজোর সময় ---

রাত ০৯.৪৭-মধ্যরাত ১২.৫৩ পর্যন্ত ৷


3--->তৃতীয় প্রহরের পুজোর সময় ---

 ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২.৫৩ থেকে রাত ০৩.৫৮ পর্যন্ত ৷

4---->চতুর্থ প্রহরের পুজোর সময় ---

 ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ০৩.৫৮ থেকে সকাল ০৭.০৬ পর্যন্ত ৷


মহাশিবরাত্রির দিনে প্রদোষ শনিব্রত সংযোগ তৈরি হচ্ছে এর গুরুত্ব অসীম, অপার ৷ এইদিন শনির দোষ থেকে মুক্তি পেতে মহাদেবকে কালো তিল দিয়ে অভিষেক করলে মুক্তি পাওয়া যায় নানান কষ্ট থেকে ।


সকাল সকাল স্নন করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বস্ত্র ধারণ করে ৷ শিবমন্দিরে কালো তিল দিয়ে  মন প্রাণ দিয়ে একাগ্র চিত্তে  ভোলেবাবার অভিষেক করালে জীবনে কালসর্প দোষ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

আবার মধু দিয়ে স্নান বা অভিষেক করালে ধনপ্রাপ্তি হবে ফলে পাওয়া সম্ভব 

 অপার ঐশ্বর্য ৷ 

এইদিনে ভোলানাথের প্রিয় ভাং, বেলপাতা ও ধুতরা ফুল দিয়ে পুজো করলে কেটেযায় জীবনের সমস্ত বাধা বিপত্তি ৷

   <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

===========================






,======================


      महाशिवरात्रि::--

   18/02/3023

महाशिवरात्रि का त्योहार हर साल फाल्गुन माह के कृष्ण पक्ष की चतुर्दशी तिथि को मनाया जाता है. ऐसी मान्यताएं है कि इस दिन भगवान शिव और देवी पार्वती का विवाह संपन्न हुआ था. ऐसा भी कहा जाता है कि इस दिन भगवान शिव के 12 ज्योतिर्लिंगों का धरती पर प्रकाट्य हुआ था. 


इस साल 18 फरवरी को रात 8 बजकर 03 मिनट पर प्रारंभ होगा और इसका समापन रविवार, 19 फरवरी को शाम 04 बजकर 19 मिनट पर होगा. चूंकि महाशिवरात्रि की पूजा निशिता काल में की जाती है, इसलिए यह त्योहार 18 फरवरी को ही मनाना उचित होगा.


इस साल महाशिवरात्रि का पर्व बेहद खास रहने वाला है. इस बार महाशिवरात्रि पर त्रिग्रही योग का निर्माण होने जा रहा है. 17 जनवरी 2023 को न्याय देव शनि कुंभ राशि में विराजमान हुए थे. अब 13 फरवरी को ग्रहों के राजा सूर्य भी इस राशि में प्रवेश करने वाले हैं. 18 फरवरी को शनि और सूर्य के अलावा चंद्रमा भी कुंभ राशि में होगा. इसलिए कुंभ राशि में शनि, सूर्य और चंद्रमा मिलकर त्रिग्रही योग का निर्माण करेंगे. ज्योतिषविद ने इसे बड़ा ही दुर्लभ संयोग माना है.

इस दिन भगवान शिव का अभिषेक करने से सभी दुख और पीड़ा दूर हो जाती है, साथ ही सभी प्रकार के भय से मुक्ति मिल जाती है। जो भक्त इस दिन केवल 'ॐ नमः शिवाय' इस मूल मंत्र का भी जाप करते हैं, भोलेनाथ उनपर भी अपनी कृपा दृष्टि सदैव बनाएं रखते हैं। 

इन चमत्कारी मन्त्र का पाठ करने से महादेव अपने भक्तों की सभी मनोकामाना पूर्ण कर देते हैं।

__________________________

::--अतः 18/02/2023 रात 12 बजेसे 1 बजे तक एक घण्टा जथा सम्भब

    "ॐ नमः शिवाय" मन्त्र पाठ कीजिये।


       <----आद्यनाथ राय चौधुरी---->


No comments:

Post a Comment